উত্তরবঙ্গের বনদপ্তরের রেঞ্জ আধিকারিক সঞ্জয় দত্তকে শংসাপত্র দিলো আসাম সরকার - The News Lion

উত্তরবঙ্গের বনদপ্তরের রেঞ্জ আধিকারিক সঞ্জয় দত্তকে শংসাপত্র দিলো আসাম সরকার




দি নিউজ লায়ন ;   উত্তরবঙ্গের বনদপ্তরের রেঞ্জ আধিকারিক সঞ্জয় দত্তকে শংসাপত্র দিলো আসাম সরকার। আসামের মানস ব্যাঘ্র প্রকল্প থেকে একটি পূর্নবয়স্ক পুরুষ বাঘকে হত্যা করে দুষ্কৃতীদের গ্যাং। 


জানা গিয়েছে ট্র্যাপ ক্যামেরায় বনদপ্তর।লক্ষ্য করে একটি বাঘের এক বছর যাবৎ দেখা মিলছে না। বনদপ্তর থেকে সে খবর ছড়িয়ে পড়তেই তদন্তে নামে আসাম সরকারের টাস্ক ফোর্স, সিবিআই। 


তবে কোনো ফল মেলেনা। এদিকে গোপন সূত্রে পাওয়া খবরের ভিত্তিতে পাচারের আগে ওই কুখ্যাত গ্যাঙের ৯জনকে বাঘের চামড়া সমেত আসাম বাংলা সীমান্ত জয়গা থেকে গ্রেপ্তার করে সেসময়ের টাস্ক ফোর্স প্রমুখ সঞ্জয় দত্তের নেতৃত্বে বনকর্মীরা। বর্তমান শালুগাড়া রেঞ্জের রেঞ্জার পদে থাকা সঞ্জয় দত্ত জানান নয়জনকে আসাম সরকারের হাতে তুলে দেওয়া হয়। 


কিন্তু আসাম সরকারের তরফে ওই কুখ্যাত গ্যাং ও লাপাতা বাঘের তদন্তের জন্য তার সাহায্য চান। সঞ্জয় বাবু বলেন আমার ডিউটি না হওয়ার পরেও কর্তব্যের কারনে আমি তদন্তে নামি। ২মাসের মধ্যে কুখ্যাত গ্যাঙের মাস্টার মাইন্ড সহ গোটা গ্যাঙটিকে পাকড়াও করি। ১১০ টি বাঘের দেহের হাড় অভিযান চালিয়ে উদ্ধার করি। 


পরে আসাম আদালতে প্রমান হয় ওই বাঘের চামড়া ও উদ্ধার হওয়া হাড় মানস ব্যাঘ্র প্রকল্প থেকে ২০১৮সালে এক বছর ধরে লাপাতা থাকা বাঘের। এই কাজে যুক্ত যে কুখ্যাত আন্তর্জাতিক পাচার চক্রের গ্যাংকে খুঁজতে কাল ঘাম ছুটেছিল আসামের বনদপ্তরের টাস্ক ফোর্স ও সিবিআইয়ের।


 থাইল্যান্ডে পাচারের উদ্দেশ্য ছিল এই গ্যাঙের। আসাম আদালত দোষীদের শাস্তির দিয়ে এই কর্তব্যনিষ্ঠা ও নির্ভীক কাজের জন্য উত্তরবঙ্গের বনদপ্তরের আধিকার সঞ্জয় দত্তকে আসাম মানস টাইগার প্রজেক্টের ফিল্ড ডিরেক্টরের স্বাক্ষরিত শংসাপত্র প্রেরণ করে।

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.